তার আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হলেও আফগানিস্তানে প্রত্যাবাসন স্থগিত করা হয়। এই ঘটনার পেছনে সন্ত্রাসী হামলার বিষয় ছিল কী না, তা খতিয়ে দেখছে জার্মানির কাউন্টার টেরোরিজম পুলিশ।
যদিও পুলিশের দাবি, গাড়ির মাধ্যমে একাই হামলা চালান তিনি। জাতীয় নির্বাচনের মাত্র ১০ দিন আগে গাড়ি চাপার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন চ্যান্সেলর ওলাফ শলজ।
জানান, দুষ্কৃতিকারীর কোনো ক্ষমা নেই। শাস্তি প্রদান শেষে আটককৃত ব্যক্তিকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ঘোষণা দেন তিনি।