পরিবেশগত ঝুঁকি ও জনস্বাস্থ্যের দিক বিবেচনা করে লাগোসের নদীর ওপর নির্মিত ভাসমান বাড়িগুলোকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। তাই পুরোপুরি ভস্মীভূত এ অঞ্চল। ফলে ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে সন্তান ও পরিবার নিয়ে ভাসমান সম্প্রদায়টির কয়েক হাজার বাসিন্দারা। চোখের সামনে ধ্বংসলীলার নীরব সাক্ষী। বর্তমানে মানুষগুলোর কপালে চিন্তার ভাঁজ অনিশ্চিত আগামী ঘিরে।
ভাসমান সম্প্রদায়টির বাসিন্দারা জানান, সবকিছু পুড়িয়ে দিয়েছে। ঘুমানোর মত কোনো জায়গা নেই। এখান সবাই এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছে একটু আশ্রয়ের খোঁজে। কেউ কি আমাদের আশ্রয় দেবে যেখানে আমরা রাতে ঘুমাতে পারবো?
আরও পড়ুন:
আফ্রিকার বৃহত্তম ভাসমান বসতিগুলোর একটি মাকোকো। জলাধারকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল তাদের জীবিকা। অঞ্চলটির মানুষেদের অর্থ উপার্জনের প্রধান উৎস মাছ ধরা। এছাড়া, অন্যান্য স্থানীয় পেশার সঙ্গেও জড়িত ছিল সম্প্রদায়টির মানুষ।
সম্প্রদায়টির একজন বাসিন্দা বলেন, ‘মাকোকোত সব স্কুল ভেঙে ফেলা হয়েছে। একারণে আমাদের বাচ্চারা ঘরেই আশ্রয় নিয়েছে। এতে করে আমাদের বাচ্চাদের শিক্ষাব্যবস্থা একেবারে ধ্বংসের মুখে পৌঁছেছে।’
২০১২ সাল থেকেই মাকোকোর ভাসমান বসতি উচ্ছেদ করতে তৎপর স্থানীয় প্রশাসন। তবে বাসিন্দাদের অভিযোগ কোনো ধরনের পুনর্বাসন পরিকল্পনা ছাড়াই তাদেরকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এদিকে, প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানের বিরোধিতা করে গত বুধবার লাগোসের রাস্তায় বিক্ষোভ করে বিক্ষুব্ধ বাসিন্দারা।





