শুক্রবার নয়াদিল্লিতে দেয়া বক্তব্যে প্রকাশ রাজ বলেন, ‘আমরা এই সরকারের পতন চাই, এবং এই দেশে গণতান্ত্রিক উপায়ে তা করে দেখাব।’ উত্তর প্রদেশ থেকে শুরু করে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত এই রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দেন তিনি।
২০২৪ ও ২০২৫ সালে গণ-অভ্যুত্থানে বাংলাদেশ ও নেপালের সরকার পতনের প্রেক্ষাপট টেনে তিনি বলেন, ‘আমরা নেপাল নই। আমরা বাংলাদেশ নই। আমাদের আম্বেদকর আছেন, গান্ধী আছেন, ভগত সিং আছেন। আমাদের সংবিধান আছে, আমাদের ভোটাধিকার আছে।’
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনীতে (এসআইআর) অনিয়মের অভিযোগ এনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেস কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে সিজেপি। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় শুক্রবার তেরঙ্গা মিছিলে নামার আগেই সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দিপকেকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।
বিক্ষোভকারীদের দমন করতে কেন্দ্র সরকার বলপ্রয়োগ করছে বলে অভিযোগ করেন প্রকাশ রাজ। তিনি বলেন, আলোচনার পথ বন্ধ করে শক্তির ব্যবহার করায় সরকারের অপসারণের দাবি আরও তীব্র হচ্ছে। অহিংস আন্দোলন ও সরকার পরিবর্তনের দাবিকে নৈরাজ্য হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টাও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।
প্রকাশ রাজ বলেন, ‘আমাদের হাতে কোনো অস্ত্র নেই। আমাদের অস্ত্র হলো সংবিধান, আমাদের অস্ত্র হলো প্রতিবাদ করার অধিকার।’
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রচারণার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘আমি মোদিজিকে জিজ্ঞেস করছি, আপনার হর ঘর তেরঙ্গা স্লোগানের কী হল? এই দেশের যুবসমাজ তেরঙ্গা হাতে হাঁটতে চায়।’
বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশি নিপীড়নের অভিযোগ তুলে প্রকাশ রাজ বিরোধীদের প্রতি সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে এ বিষয়ে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি জানান, সংযুক্ত কিষান মোর্চাসহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠন ও সুশীল সমাজের সহায়তায় আগামী দিনে রাস্তায় মানুষের উপস্থিতি আরও বাড়বে।





