রাজধানী প্যারিস ও মার্শেইসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীরা স্কুলের প্রবেশমুখ অবরুদ্ধ করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। অনেক স্থানে কড়া টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ। প্যারিসের দুটি প্রধান স্কুলের প্রবেশপথে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ ছুটির দাবি, ক্লাসরুমের অতিরিক্ত উত্তাপ এবং শিক্ষকদের ঘন ঘন অনুপস্থিতির বিরুদ্ধে শুরু হওয়া এই আন্দোলন বর্তমানে প্রায় সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ফরাসি শিক্ষামন্ত্রী এদুয়ার্দ জেফ্রে জানান, আন্দোলনটি সহিংস গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। সহিংসতায় এ পর্যন্ত ৪০ জন প্রধান শিক্ষকসহ ৬৫ জন কারিগরি কর্মী এবং ১৭০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। অন্তত ১০০টি স্কুল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ফ্রান্সের বিচারমন্ত্রী জেরাল্ড দারমানিন জানিয়েছেন, আন্দোলনে এ পর্যন্ত ২ হাজার মানুষকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে, যার ৯০ শতাংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক। সরকারি সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির জন্য দায়ী শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের আইনি নোটিশ এবং জরিমানা দেয়ার কথা বলেছেন তিনি।
এদিকে আগামী বছর ফ্রান্সে হতে যাওয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে। সরকার এই সহিংসতার পেছনে কট্টর বামপন্থি দল ‘ফ্রান্স আনবোড’ (এলএফআই)-কে দায়ী করলেও দলটি অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত করতে শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ও শিক্ষক ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে জরুরি আলোচনায় বসেছে শিক্ষামন্ত্রণালয়।





