এ বিষয়ে তার আইনজীবিরা জাানান, স্থানীয় সময় বুধবার রাতে ন্যাশভিলের রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি কারাগারে পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরও জীবিত ছিলেন এই আসামি।
পরে তাকে কারাগারের বাইরে একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেয়া হয়। এদিকে টেনেসি কারা বিভাগ বলেছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে রাজ্যের অনুমোদিত সব নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছিল। তবে কেন প্রক্রিয়াটি ব্যর্থ হলো সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
১৯৯৫ সালে সহপাঠী ১৯ বছর বয়সী কলিন স্লেমারকে হত্যার দায়ে ক্রিস্টা পাইককে ১৯৯৬ সালে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। অপরাধের সময় পাইকের বয়স ছিল ১৮ বছর।





