পোলিশ সীমান্তের দুই কিলোমিটারের মধ্যে, ইয়াহোদিন রেলস্টেশনে এ হামলায় কেউ হতাহত হয়নি। হামলার ১৫ মিনিট আগেই সব আরোহীদের ট্রেন খালি করার নির্দেশ দেয়া হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ট্রেনটির ইঞ্জিন। হামলার কিছুক্ষণ আগেই কিয়েভে একটি সম্মেলনে অংশ নেয়া শেষে স্টেশন ত্যাগ করেন বরিস জনসনসহ ইউরোপের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টারা।
ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলে রেলওয়ে অবকাঠামোতে হামলার তথ্য স্বীকার করেছে রাশিয়া। যদিও ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় রেল সংস্থার দাবি, হামলার লক্ষ্য ছিল কূটনীতিকদের বহনকারী ট্রেনটিই; অব্যাহত রুশ হুমকির কারণে সময় বদলে আগেই ট্রেনটি রওনা দেয়ায় বেঁচে যায় হামলা থেকে।





