সাইপ্রাস উপকূলে ফেরিডুবিতে মৃত্যু বেড়ে ১২, এখনো নিখোঁজ ১৬

তুরস্কের উপকূলের কাছে এজিয়ান সাগরে টহল দিচ্ছে তুরস্কের কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজ
তুরস্কের উপকূলের কাছে এজিয়ান সাগরে টহল দিচ্ছে তুরস্কের কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজ | ছবি: ডিপিএ জার্মান প্রেস এজেন্সি
0

সাইপ্রাস উপকূলে যাত্রীবাহী ফেরিডুবির ঘটনায় আরও দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে এ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১২ জনে দাঁড়ালো। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় উপকূলে নিখোঁজ বাকি ১৬ যাত্রীর সন্ধানে তুরস্কের সামরিক বাহিনীর সহায়তায় সাগরে বড় পরিসরে তল্লাশি চলছে। ইউরো নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গত ৩০ আগস্ট ২৫৯ জন যাত্রী ও আটজন ক্রু নিয়ে ফিলোজেট নামের ফেরিটি সাইপ্রাসের কিরেনিয়া বন্দর থেকে তুরস্কের তাসুকুর উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। সাইপ্রাস উপকূল থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে জাহাজটিতে পানি ঢুকতে শুরু করে এবং একপর্যায়ে এটি সাগরে ডুবে যায়। দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারী দল তাৎক্ষণিকভাবে ২৩৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। অবহেলাজনিত প্রাণহানির অভিযোগে জাহাজের ক্যাপ্টেনসহ কয়েকজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

স্বঘোষিত তুর্কি রিপাবলিক অব নর্দার্ন সাইপ্রাসের প্রধানমন্ত্রী উনাল উস্তেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, তুরস্কের নৌবাহিনীর জাহাজ টিসিজি ইশিন ও টিসিজি আলেমেদার গভীর সমুদ্রে তল্লাশি চালিয়ে ওই দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। তিনি লেখেন, ‘নিখোঁজ ১৬ জনের সন্ধানে তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের জোরালো সহায়তায় এবং সংশ্লিষ্ট সব ইউনিটের অংশগ্রহণে সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা বিরতিহীন তল্লাশি অভিযান চলছে।’

তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উপকূলীয় এলাকা, সমুদ্রের তলদেশ এবং ডুবে যাওয়া জাহাজের আশপাশে নজরদারি চালাতে তাদের সাতটি নৌজাহাজ ও ছয়টি বিমান নিয়োজিত রয়েছে। টিসিজি ইশিন সমুদ্রের ৫৫০ মিটার গভীরে ডুবে যাওয়া ফেরিটির ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করেছে। এছাড়া সর্বোচ্চ ৩ হাজার মিটার গভীর পর্যন্ত পরিচালনাসক্ষম বিশেষ চালকবিহীন ডুবোযানের (আরওভি) সাহায্যে তল্লাশি চালাচ্ছে টিসিজি আলেমেদার।

এএম