নেপাল পুলিশের মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফলে নতুন মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে চিতওয়ান জেলায়—১০৮টি। এছাড়া পূর্ব নাওয়ালপরাসিতে ৬২, ধাদিংয়ে ২৭, গোর্খায় ২০, রাসুয়ায় ১৭, পশ্চিম নাওয়ালপরাসিতে ১৫, নুয়াকোটে ১২ এবং তানাহুন জেলায় ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে পুলিশ।
জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত অন্তত ৮২৬ জন মানুষের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজদের মধ্যে ৫১৭ জন বিদেশি এবং ১২৭ জন নেপালি পর্যটক রয়েছেন। এছাড়া নেপাল সেনাবাহিনীর ৪৪ জন, নেপাল পুলিশের ২৮ জন এবং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ১৩ জন সদস্যসহ মোট ৮৫ জন নিরাপত্তাকর্মী নিখোঁজ রয়েছেন।
হিমালয় অঞ্চল থেকে ধেয়ে আসা কাদা ও পানির তোড়ে রাসুয়াসহ সীমান্তবর্তী জেলাগুলো লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। পরে এই প্লাবন ত্রিশূলি ও নারায়ণী নদী অববাহিকা ধরে নিচের দিকে নেমে গিয়ে বিস্তীর্ণ এলাকার বসতি, সড়ক, সেতু ও বিভিন্ন অবকাঠামো ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে সরকারি সংস্থা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।





