জাপানের পর এবার তীব্র গরমে পুড়ছে দক্ষিণ কোরিয়ার বিভিন্ন এলাকা। প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়েছেন প্রায় আড়াই হাজার মানুষ এবং বাড়ছে প্রাণহানি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এরইমধ্যে নেয়া হয়েছে নানা পদক্ষেপ। এদিকে, তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় সর্বাত্মক পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়াং বলেন, তীব্র তাপপ্রবাহ দিন দিন বেড়েই চলেছে। দক্ষিণ গেয়ংসাং প্রদেশের ইয়াংসানে, ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রায় তীব্র দাবদাহ বেশ কয়েকদিন ধরে অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের একাধিক দাবানল। প্রচণ্ড গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে আবার যেন নতুন করে দাবানল সৃষ্টি হতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক রয়েছেন দমকলকর্মীরা।
দাবানল হাত থেকে অনেকটাই রেহাই পেয়েছেন গ্রিসের বাসিন্দারাও। স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলছেন তারা। তবে ভয়ঙ্কর দাবানলের থাবায় বাড়িঘর পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ায় শোকস্তব্ধ সেখানকার বাসিন্দারা।
স্থানীয়রা বলেন, এটা একসময় স্বর্গ ছিল। এখন নরকে পরিণত হয়েছে। এমন এক নরক, যার দিকে আমি তাকাতেও চাই না। খুব খারাপ লাগছে। এই বাড়িতেই ছোটবেলায় বড় হয়েছি। জায়গাটি আর আগের মতো নেই। হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে এই বাড়িটা বানিয়েছি। আধ ঘণ্টার মধ্যে সেটা পুড়ে ছাই হয়ে গেল। এখন সব শেষ। আমাদের আর কিছুই বাকি নেই।
এদিকে, এল নিনোর প্রভাবের কারণে ২০২৭ সালে বে কিছু দেশে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা মারাত্মকভাবে বেড়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, আগামী বছরের শেষ নাগাদ বিশ্বের প্রায় ৫ কোটি মানুষ তীব্র ক্ষুধার কবলে পড়তে পারেন। পাশাপাশি ৪৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দেশে খাদ্য নিরাপত্তাহীন মানুষের সংখ্যা সাড়ে ২২ কোটি থেকে বেড়ে প্রায় সাড়ে ২৮ কোটিতে গিয়ে দাঁড়াতে পারে। শুধু তাই নয় খরা, বন্যা এবং চরম তাপমাত্রা ফসল উৎপাদন ও জীবিকাকেও ব্যাহত করবে বলে আশঙ্কা ডব্লিউএফপি'র।





