আগামী এক সপ্তাহ, বিশেষ করে দুই-তিনদিন শক্তিশালী আফটারশকের শঙ্কায় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ জাপানের ভূতাত্ত্বিক সংস্থার। বলা হচ্ছে, আফটারশকের তীব্রতাও সর্বোচ্চ সাত মাত্রা ছুঁতে পারে। এ অবস্থায় প্রায় নয় হাজার মানুষ অবস্থান নিয়েছেন বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে। স্থগিত রয়েছে একটি বুলেট ট্রেন পরিষেবা। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ৪৮ হাজার বাড়িঘর। ভূমিকম্পের পর চার হাজার ৬০০ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা ও প্রায় ৫০০ পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্ধার ও দুর্যোগ প্রশমন কাজে মোতায়েন করা হয়।
গতকাল সরকারের জরুরি টাস্ক ফোর্স বৈঠকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানান, ধসে পড়া শপিং মলেও উদ্ধারকাজ চলমান। তাপমাত্রার পারদ ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁইছুঁই বলে গরমে অসুস্থতা এড়াতে উদ্ধার কর্মকর্তা ও বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ আবহাওয়া বিভাগের।





