গত সোমবার কিয়ার স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর বিবিসিকে দেয়া নিজের প্রথম সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন বার্নহাম। রোববার সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ প্রকাশিত হয়েছে। বার্নহাম জানান, দায়িত্ব নেয়ার কয়েক ঘণ্টা পর ট্রাম্পের সঙ্গে তার প্রথম ফোনালাপটি ছিল ‘উষ্ণ’।
৫৬ বছর বয়সী বার্নহাম বলেন, ‘বিশ্ব প্রতিনিয়ত পাল্টাচ্ছে এবং ঘটনাপ্রবাহ যেদিকে যাবে, সে অনুযায়ীই আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমি কখনোই বলব না যে তার (ট্রাম্প) সঙ্গে আমার কোনো বিষয়ে দ্বিমত হবে না। ব্রিটেনের জন্য যা সঠিক, তেমন ভিন্ন কোনো মত প্রকাশ করার প্রয়োজন হলে আমি অবশ্যই তা করবো।’
সেন্টার-লেফট ঘরানার লেবার পার্টির এই জ্যেষ্ঠ নেতা ২০১৭ সাল থেকে টানা ৯ বছর ম্যানচেস্টারের মেয়র ছিলেন। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে তিনি বিশ্বাস করেন কি না—এমন প্রশ্ন করা হলে দুইবারই তিনি সরাসরি উত্তর দেয়া এড়িয়ে যান। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রয়োজন হলে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের ওপর কিছু বলতেও তিনি রাজি।
ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনো কিছুর আগে আপনাকে নিজের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। এই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হলে এটিই আপনার প্রধান কাজ। আমি সব সময় ব্রিটেনের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দেব।’
সোমবারের ফোনালাপের পর ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে লিখেছিলেন, বার্নহামের সামনে ‘বড় কাজ’ রয়েছে এবং তিনি সেটি করতে পারবেন। যুক্তরাষ্ট্র তাকে ‘সহযোগিতা করবে’ বলেও প্রতিশ্রুতি দেন ট্রাম্প। তবে গত মাসেই ট্রাম্প তাকে ‘চরম উদারপন্থি’ (এক্সট্রিমলি লিবারেল) হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন।
ইরান সংঘাতসহ বিভিন্ন ইস্যুতে এর আগে কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল।





