এক বিবৃতিতে লেবাননের সেনা কমান্ড বলেছে, ‘নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত নাগরিকদের ওই শহরে না যাওয়ার এবং নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে মোতায়েন করা সামরিক ইউনিটের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য বাহিনীর পক্ষ থেকে পুনরায় আহ্বান জানানো হচ্ছে।’ এ বিষয়ে ইসরাইলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তিটি পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়নের জন্য দক্ষিণ লেবাননের যে তিনটি এলাকা বাছাই করা হয়েছে, তার মধ্যে জাওতার আল-গারবিয়েহ অন্যতম। বাকি দুটি গ্রাম হলো ফ্রুন ও স্রিফা।
চুক্তি অনুযায়ী, ইসরাইলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের দখলকৃত এলাকাগুলো থেকে ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহার করবে। এরপর লেবাননের সেনাবাহিনী সেখানকার নিরাপত্তার দায়িত্ব বুঝে নেবে এবং হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া তদারকি করবে।
তবে চুক্তির আওতাভুক্ত এই গ্রামগুলোর অন্তর্ভুক্তি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি অংশের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। তারা বলছেন, উল্লেখিত গ্রামগুলো কখনোই ইসরাইলি বাহিনীর দখলে ছিল না।





