এ সিদ্ধান্ত এসেছে এমন এক সময়ে, যখন কয়েকদিনের মধ্যেই তাদের বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভোট হওয়ার কথা। সেই ভোটেই সিদ্ধান্ত হবে যে কংগ্রেস অবমাননার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করা হবে কি না। কারণ তারা বেশ কয়েক মাস ধরেই হাউজ ওভারসাইট কমিটির সামনে হাজিরা দিয়ে অস্বীকৃতি জানাচ্ছিলেন।
ওই কমিটির কাজ হলো, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ও কর্মকর্তাদের কাজে নজরদারি করা। কারও বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার বা অনিয়মের অভিযোগ এলে তারাই খতিয়ে দেখে, এমনকি, সাক্ষ্য দিতেও ডাকে।
আরও পড়ুন:
বিল ক্লিনটন জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। তবে তিনি বারবার বলে আসছেন, এপস্টেইনের যৌন অপরাধ সম্পর্কে তিনি কোনো কিছুই জানতেন না এবং প্রায় দুই দশক আগে তার সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
জেফ্রি এপস্টেইন ২০১৯ সালে নিউ ইয়র্কের একটি কারাগারে মারা যান। এখন কবে নাগাদ ক্লিনটন দম্পতির জবানবন্দি নেয়া হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে এটি হলে, ১৯৮৩ সালে জেরাল্ড ফোর্ডের পর এই প্রথম কোনো সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসের কোনো কমিটির সামনে সাক্ষ্য দেবেন।
এর আগে ক্লিনটন দম্পতি দীর্ঘদিন ধরে কমিটির সামনে হাজির হতে রাজি হয়নি। তাদের বক্তব্য, এপস্টেইন বিষয়ে তাদের কাছে যতটুকু তথ্য ছিল, তা তারা আগেই লিখিতভাবে জানিয়েছেন।
এছাড়া, কমিটির জারি করা সমনকে তারা তখন ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। তাদের দাবি, তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল।





