দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার পুনরায় চালু নিয়ে এবার কিছুটা অগ্রগতি দেখা গেছে। গেল জুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরে কর্মী নিয়োগ দ্রুত শুরুর পাশাপাশি স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল ও নৈতিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয়ে আলোচনা হয় দুই দেশের মধ্যে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়ার বিদেশি কর্মীদের কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা এফডব্লিউসিএমএস।
কর্মীদের আনতে আগ্রহী নিয়োগকর্তাদের আবেদন করতে বলেছে দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়। তবে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের অতীত অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর নয়। এর আগেও নির্দিষ্ট কিছু রিক্রুটিং এজেন্সির হাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া কেন্দ্রীভূত ছিল। পাশাপাশি কর্মীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে বার বার। এবারও সেই একই ব্যবস্থা সামনে আসলো।
মালয়েশিয়া প্রবাসীদের একজন বলেন, ‘দুই দেশের সরকার খুব দ্রুত গতিতে কাজ করে যাচ্ছে। এরই মধ্যে ২৫ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।’
অন্য আরেকজন বলেন, ‘বিগত বছরগুলোর কারণে তাত্ত্বিক জটিলতার কারণে ফ্লাইট সঠিক সময়ে দিতে না পারলে শেষ মুহূর্তে আরেকটি জটিলতা তৈরি হবে।’
এদিকে, এই ২৫ এজেন্সিকে বাংলাদেশ সরকার অনুমোদন দিয়েছে কিনা তাও নিশ্চিত নয়। প্রবাসী ব্যবসায়ীরা বলছেন, কর্মী পাঠানোর সুযোগ পেতে হলে মালয়েশিয়া সরকারের সিদ্ধান্তই মেনে নিতে হবে।
প্রবাসীদের অন্য আরেকজন বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের দাবি মালয়েশিয়া সরকার রাখছে না বিধায়, মালয়েশিয়া সরকারের পলিসি মেনে বাংলাদেশের কাজ করতে হবে।’
কয়েক দশক ধরেই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের ওপর নির্ভরশীল লাখো বাংলাদেশি কর্মী। প্রবাসীদের প্রত্যাশা এই শ্রমবাজার আবারও যেন সঙ্কটে না পড়ে।





