বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসন আগে থেকেই বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে একাধিক সমন্বয় সভা করেছিল। জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন এ কর্মসূচি সফলভাবে আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নেয়া হয়েছিল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের উপস্থিতির প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ও উন্নয়নের স্বার্থে সবার দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশিত ছিল বলে উল্লেখ করা হয়।
তবে অনুষ্ঠান চলাকালে কতিপয় শিক্ষার্থীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম, শিক্ষার পরিবেশ ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে ব্যাহত করার আশঙ্কা তৈরি করে।
প্রশাসন শিক্ষার্থীদের মতপ্রকাশ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সংযম, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি-বিধান মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
ঘটনার কারণ উদ্ঘাটন ও দায়ীদের চিহ্নিত করতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আজম খানকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মেজবাহ-উল-আজম সওদাগর।
তদন্ত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি-বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।





