তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন-রূপালী ব্যাংকের কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম, জনতা ব্যাংকের মজিবুর রহমান ও সোনালী ব্যাংকের শওকত আলী খান।
এর আগে, বেসিক ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের অবশিষ্ট মেয়াদের নিয়োগ বাতিল করে সরকার। তখন থেকে ব্যাংক দুটি ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিয়ে চলছে। এ নিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ শূন্য হলো।
আজ (সোমবার, ১৯ অক্টোবর) আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমানকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ অনুযায়ী মো. মজিবর রহমানের চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সুপারিশ ও সম্মতি দেয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের নভেম্বর জনতা ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে থাকা মজিবর রহমানকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।
আরেক প্রজ্ঞাপন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বলেছে, রূপালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক/প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলামের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের জন্য সরকারের সুপারিশ/সম্মতি জ্ঞাপন করা হলো।
এ-সংক্রান্ত চিঠি রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল হুদার কাছে পাঠায় অর্থ মন্ত্রণালয়। ওয়াহিদুল ইসলামকে সোনালী ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক থেকে রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক করা হয় ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে।
আরেক আদেশে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী খানের চুক্তিভিত্তিক অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।
২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর তাকে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় তিন বছরের জন্য। সোনালী ব্যাংকে নিয়ে আসার আগে তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।





