নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিম্নস্তরের সিগারেটের প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটের সর্বনিম্ন খুচরা মূল্য ৩ টাকা বাড়িয়ে ৬৫ টাকা করা হয়েছে। তবে বাকি তিন স্তরের সিগারেটের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মাঝারি স্তরের ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য আগের মতোই ৯২ টাকা থাকবে। উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার দাম ১৬০ টাকা এবং প্রিমিয়াম বা অতি-উচ্চ স্তরের সিগারেটের দাম ২১০ টাকা বা তার বেশি বহাল থাকছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নিম্নস্তরের সিগারেটের প্রতি ১০ শলাকার সর্বনিম্ন খুচরা মূল্য ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা করা হয়েছিল। এবার সেই দাম আরও ৩ টাকা বাড়িয়ে ৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হলো।
সম্প্রতি মন্ত্রিসভা নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানোর একটি প্রস্তাবে অনুমোদন দেয়। এর পরই নতুন করে দাম বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি করলো এনবিআর।
এর আগে, ২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে চার স্তরের সিগারেটের দামই বাড়ানো হয়েছিল। তখন মাঝারি স্তরের ১০ শলাকার দাম ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরের দাম ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬০ টাকা এবং প্রিমিয়াম বা অতি-উচ্চ স্তরের সিগারেটের দাম ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০ টাকা বা তার বেশি নির্ধারণ করা হয়।
বাংলাদেশে বাজারজাত করা সিগারেট সাধারণত চারটি মূল্যের স্তরে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে নিম্নস্তরের সিগারেটের আওতায় বাজারের সবচেয়ে কমদামি সিগারেটগুলো রয়েছে।





