তিনি বলেন, ‘গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন ও ধানমন্ডি লেকের দূষণ রোধ এবং পরিবেশগত উন্নয়নে সমন্বিত কার্যক্রম জোরদার করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।’
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘রাজধানীর লেকগুলোতে পয়ঃবর্জ্য প্রবেশ বন্ধ, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) স্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম আরও বাড়াতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে লেকগুলো পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’
বৈঠকে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকার লেকগুলোর বর্তমান অবস্থা, দূষণের উৎস এবং সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব।
তিনি বলেন, ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ধানমন্ডি লেকের সংস্কার, স্লাজ অপসারণ ও পাইলট প্রকল্পের অগ্রগতিও বৈঠকে পর্যালোচনা করা হয়েছে।’
রাজধানীর লেকগুলোর দূষণ রোধে পয়ঃবর্জ্য প্রবেশের পথ বন্ধ, ভবনভিত্তিক এসটিপি স্থাপন এবং বিদ্যমান স্যুয়ারেজ নেটওয়ার্কের বিস্তারিত জরিপের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয় বৈঠকে।
এছাড়া গুলশান-বনানী এলাকায় শর্তসাপেক্ষে স্যুয়ারেজ বিল আদায় এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ক্যাচমেন্ট এরিয়া বা পানি নিষ্কাশনের প্রবাহ এলাকা তৈরির বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়।
বৈঠকে জানানো হয়, গুলশান লেকে পয়ঃবর্জ্য প্রবেশের উৎস ও মাধ্যম হিসেবে ছয়টি প্রধান স্থান এবং এর সঙ্গে আরও ছয়টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থান দিয়ে দূষিত পানি ও পয়ঃবর্জ্য লেকে প্রবেশ করছে।
সমস্যা সমাধানে গঠিত কারিগরি কমিটি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরে।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গণপূর্ত ও গৃহায়নমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সালাম সাত্তার এবং স্থানীয় সরকার সচিব শহিদুল হাসান।





