আজ (শনিবার, ২২ আগস্ট) ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক-জনসংযোগ মো. কামরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশকে আঞ্চলিক বিমান পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সরকার, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিত পরিকল্পনা অপরিহার্য।
ইউএস-বাংলার সম্প্রসারণ পরিকল্পনাকে শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা সম্প্রসারণ হিসেবে দেখলে এর পূর্ণ তাৎপর্য ধরা পড়বে না বলেও এ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। সংস্থাটি মনে করে, নতুন উড়োজাহাজ, নতুন রুট, দক্ষ মানবসম্পদ, কার্গো, পর্যটন, প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রযুক্তি— সব মিলিয়ে এর প্রভাব বাংলাদেশের বিমান পরিবহন অর্থনীতির বিস্তৃত পরিসরে পড়তে পারে।
আরও পড়ুন:
সংস্থাটি জানায়, একটি শক্তিশালী দেশিয় বিমান সংস্থা আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহনের আয় থেকে একটি অংশ দেশে ধরে রাখতে পারে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে, পর্যটন বাড়াতে পারে এবং দেশের সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের সরাসরি যোগাযোগ শক্তিশালী করতে পারে।
ইউএস-বাংলার আগামী দিনের দর্শন শুধু ‘আরও বিমান, আরও রুট’ নয় উল্লেখ করে বলা হয়, লক্ষ্য আরও বড় একটি শক্তিশালী বাংলাদেশি বিমান পরিবহন ব্র্যান্ড তৈরি করা, যা দেশের যাত্রীকে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করবে এবং একইসঙ্গে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে আরও দৃশ্যমান করবে।
এছাড়া ইউএস-বাংলার পরবর্তী অধ্যায়ের সাফল্য শুধু বহরের আকারের ওপর নয়; বরং নিরাপত্তা, সেবা, দক্ষতা, দক্ষ মানবসম্পদ, আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক এবং বাংলাদেশের সামগ্রিক বিমান পরিবহন নীতির সমন্বিত সক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে বলেও তুলে ধরে সংস্থাটি।




