পরে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে এম শরিফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে এসে ব্যবসায়ীদের বেইলি ব্রিজের আশ্বাস দিলে প্রায় এক ঘণ্টা পর বেলা ১২টায় অবরোধ তুলে নেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা বলেন, শত বছরের ঐতিহ্যবাহী টঙ্গী বাজার থেকে রাজধানীর উত্তরা, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত ও বাড্ডার অধিকাংশ ব্যবসায়ী পাইকারি মালামাল কিনে নিয়ে যান।
তারা জানান, সম্প্রতি তুরাগ নদীর ওপরের বেইলি ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় বেইলি ব্রিজটি বন্ধ করে দেয়া হয়। এর ফলে বাজারের ব্যবসায়ীরা আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছেন। এছাড়াও পথচারী পারাপার ও রোগীদের হাসপাতালে নিতেও সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাই দ্রুত তুরাগ নদের ওপর বেইলি ব্রিজ স্থাপনের দাবি জানান তারা।
গাজীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কে এম শরিফুল ইসলাম বলেন, 'বিআরটি ফ্লাইওভার হওয়ার পর তুরাগ নদীর ওপরে বেইলি ব্রিজ থাকার সুযোগ নেই। সেখানে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বাধ্যবাধকতা রয়েছে। যদি ব্যবসায়ীরা বিআইডব্লিউটিএর কাছ থেকে বেইলি ব্রিজ স্থাপনের ছাড়পত্র নিয়ে আসতে পারেন তাহলে সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হবে।'