আজ (বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পর্যন্ত কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী আতিকুর রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
এর আগে হাইকোর্টের নির্দেশে গেল ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত কাউখালী উপজেলার ১৫ ইটভাটা বন্ধ ও ১৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এর মধ্যে গত ১০ জানুয়ারি অভিযানে উপজেলার কলমপতি ইউনিয়নের গাড়িছড়া গ্রামে অবস্থিত জেবিএম ব্রিকস, আদর্শ গ্রামে এটিএম ব্রিকস এবং তারাবুনিয়া গ্রামে এমএন্ডসি ব্রিকস- এই তিন ইটভাটার মালিককে দেড় লাখ টাকা জরিমানা আদায় ও ভাটা বন্ধ ঘোষণা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সম্প্রতি এসব ইটভাটায় ইট তৈরির কার্যক্রম শুরু করায় আবারও উপজেলা প্রশাসন এই অভিযানে নামে।
এসময় পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মুমিনুল ইসলাম, বনবিভাগ, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও পাহাড় কেটে পাহাড়ের পাদদেশে ঘর নির্মাণ করায় একজনকে সতর্কতামূলকভাবে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এদিকে গতকাল (মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি) জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পুনরায় ইটভাটা চালু করার অপরাধে এমএমসি, কেবিএম ও ফাইভ স্টার নামের তিন ইটভাটা মালিককে দেড় লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রশাসন।
অবৈধভাবে গড়ে তোলা এসব ইটভাটায় পাহাড় কেটে মাটি সংগ্রহ আর বনের কাঠ পুড়িয়ে ইট তৈরি হয়ে আসছে দীর্ঘ বছর ধরে। অভিযোগ আছে স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই চক্রটি অবৈধ ইটভাটা ব্যবসা পরিচালনা করছে।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট কাজী আতিকুর রহমান বলেন, 'মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ প্রতিপালনে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ অভিযান চালানো হয়েছে। এর আগে ১৫টি ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ ও জরিমানা আদায় করা হয়। কিন্তু আবারও ইটভাটা চালানোর প্রমাণ পাওয়া যায় এবং ইট ভাটার কর্তৃপক্ষ স্বীকারোক্তি প্রদান করে তাদের অন্যায় স্বীকার করেন। এর প্রেক্ষিতে জরিমানা আদায় করে ইটভাটাগুলো পুনরায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।'