শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব

এখন জনপদে
0

সাদপন্থীদের আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো টঙ্গী তুরাগ তীরে ৫৮তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। এসময় বাংলাদেশসহ সমগ্র মানবকুলের শান্তি, সমৃদ্ধি, আল্লাহ নৈকট্য কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ। লাখো কণ্ঠে আমিন আমিন ধ্বনিতে মুখরিত হয় তুরাগ তীর।

এই বিশাল জমায়েত ফজিলত ও রহমতে ঢাকা। মুসল্লিদের পথের এ গন্তব্য অভিন্ন। রবের দয়া, অনুগ্রহ লাভে সকাল থেকে বিশ্বের অন্যতম ধর্মীয় এ জমায়েত আমলের, আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের কাফেলা হয়ে ওঠে।

দ্বিতীয় পর্বেও রোজা, কালেমার আমলে ৫৮তম বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে দিনের প্রথম ভাগের তালিম শুরু হয়। ছাত্র, শিক্ষক, পেশাজীবী, ব্যবসায়ীদের সাথে অংশ নেন তাবলীগ জামাতের মুরুব্বি সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা।

শেষ দিনে ফজরের নামাজের পরই বয়ান শুরু করেন মাওলানা মোরসালীন, মুনির বিন ইউসুফ। বয়ান থেকে আল কোরআনের সুমহান বাণী,আকিদা,ফরজ এবাদতের গুরুত্ব প্রচার করা হয়।

মুসল্লিরা জানান, তাওহীদ বা আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাসের মাধ্যমেই বান্দা মহান আল্লাহর সান্নিধ্যে পৌঁছে যায়। ক্ষমার ফয়সালা জারি থাকে কেয়ামত পর্যন্ত।

মুসল্লিদের একজন বলেন, ‘মানুষ যেন দিনের পথে আসতে পারে আমরা যেন সবাই ভাই ভাই হয়ে চলতে পারি সে দোয়া করেছি।’

আজ (রোববার, ১৬ ফেব্রুয়ারি) সাড়ে ১২টার পর নিজামুদ্দিন অনুসারী দিল্লির মুরুব্বি মাওলানা ইউসুফ বিন সা'দ মোনাজাত শুরু করেন।

আমিন আমিন ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয় তুরাগ তীর।

মোনাজাত শেষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা বলেন, অতীতের পাপ ও অন্যায়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়েছে। প্রত্যেকের নিকট নবীর রেসালত, পৌঁছিয়ে দেওয়া হবে।

মুসল্লিদের একজন বলেন, ‘মানুষ কীভাবে জাহান্নাম থেকে মুক্তি পায় সেইদিকেই খেয়াল দেয়া হয়েছে।’

এখান থেকেই ১, ৩ চিল্লার সাথীরা ছোট ছোট জামাত নিয়ে দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে যাবেন। এবারই প্রথম শবে বরাতের পুণ্যময় রজনীর মধ্যে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হল। ময়দানে এখন পর্যন্ত ৩ জন মুসুল্লি ইন্তেকাল করেছেন। দেশের ৬৪ জেলা থেকেই নিজামুদ্দিন মারকাজ অনুসারী অংশ নিয়েছিল। এসেছেন ৪৯ টি দেশের ৩ হাজার বিদেশি মেহমান।

ইএ