এ ঘটনায় ভ্যানটি কেনার অভিযোগে সাবেক ইউপি সদস্য মুক্তার হোসেন (৪৫) নামের আরও একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ (মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর থানায় আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল হাসান মাসুদ।
ওসি বলেন, ‘গত রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টার দিকে রতনপুর গ্রামের হারিজ উদ্দীনের ছেলে সাকিব আল হাসান বাবার ব্যাটারিচালিত অটোভ্যান নিয়ে ডেমরা বাজারের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়। দুপুর পর্যন্ত বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।’
পরে বিকেল ৫টার দিকে ডেমরা ইউনিয়নের মাজাট গ্রামের মাজাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাজাট কবরস্থানের মাঝামাঝি বড়াল নদীর কিনারায় পানিতে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি সাকিবের বলে শনাক্ত করেন।
আরও পড়ুন:
এ ঘটনায় নিহতের বাবা হারিজ উদ্দীন বাদী হয়ে ফরিদপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ওসি মনজুরুল জানান, মামলার পর পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে।
এরপর (সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ২টার দিকে উপজেলার দিঘুলিয়া বাজার থেকে শাহিন আলম ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ধানুয়াঘাটা বাজার এলাকার একটি ভাঙাড়ির দোকান থেকে ছিনতাই হওয়া অটোভ্যানটি উদ্ধার করা হয়।
ওসি আরও জানান, আসামি হত্যার ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে। আইনি পক্রিয়া শেষে আজ দুপুরে আদালতের মাধ্যমে পাবনা কারাগারে পাঠানো হয় তাকে।





