নিহতের বান্ধবী নাজিফা শেখ জানান, বিকালে আমার বন্ধু সিফাত বাসায় দেখা করতে এসেছিল। সেখানে ঐ এলাকার সন্ত্রাসী জয়, রাজিব, ইয়াসিনসহ ৬/৭ জন তাদের বাসায় ডুকে সিফাতকে জোরপূর্বক ধরে বাসা থেকে টেনেহিঁচড়ে নিচে নামানোর চেষ্টা করেন। সেখানে তাদের মধ্যে দস্তাদস্তি হয়। এরপর তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে। সে সময়ে হামলাকারীদের মধ্যে রাজিব ও ইয়াসিন নামে দু'জন আহত হয়।
তিনি বলেন, ‘গুরুতর আহত সিফাত উল্লাহকে উদ্ধার করে প্রথমে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টার (ওসেক)ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।’ এদিকে একই ঘটনায় আহত দুই যুবক ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত রাজিব ওরফে রাব্বি জানান, বড়ুইতলা ঐ বাসায় অনৈতিক কাজ চলছিল জেনে, ঐ বাসায় গেলে এক যুবক আমাদের ওপর তেরে আসে, আমরা এগিয়ে গেলে সে ছুরিকাঘাত করে, সেখানে ধস্তাধস্তি ও মারামারির ঘটনা ঘটে, এতে আমরা আহত হই।
এদিকে নাজিফা শেখ বলেন, ‘ধোলাইপাড়ের বাসিন্দা সিফাতের সঙ্গে আমার সম্পর্ক দুই বছর যাবত। সামনে আমাদের বিয়ের কথা চলছে। নাজিফার দাবি সে বদরুন্নেসা কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী। ঘটনাস্থলে ঐ বাসা তার এক বড় বোনের বাসা।’
তিনি আরও বলেন, ‘জয় হলো এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। সে ঐ বাসায় মাঝে মধ্যে বন্ধু-বান্ধব নিয়ে এসে মাদক সেবন করতো। বিষয়টি সিফাত জানতে পেরে বলেছিল, তারা যেন ঐ বাসায় না আসে। এ-সব নিয়েও তাদের ক্ষোভ ছিল।’
এদিকে হাসপাতালে আসা নিহতের এক বন্ধু বলেন, ‘সিফাত উল্লাহ কাতার প্রবাসী, সে ব্যবসা করতেন। তাদের বাড়ি যাত্রাবাড়ীর ধোলাইপাড়ের স্থানীয় বাসিন্দা। সিফাতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালে রাখা হয়েছে।’





