অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্ব নিয়ে কোচের আশার বাণী

প্র্যাকটিস ম্যাচ শেষে প্রেস ব্রিফিং করেছেন কোচ লোডেভিক ডি ক্রুইফ
প্র্যাকটিস ম্যাচ শেষে প্রেস ব্রিফিং করেছেন কোচ লোডেভিক ডি ক্রুইফ | ছবি: এখন টিভি
0

আসন্ন এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বে ভালো কিছু অর্জনে আশাবাদী অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ লোডেভিক ডি ক্রুইফ। ইউএই-তে মূল পর্বে খেলার লক্ষ্যে তারা প্রতিপক্ষ দলগুলোর শক্তির জায়গা বিশ্লেষণ করছেন বলে জানান তিনি।

আজ (শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে যশোরের হামিদপুরস্থ শামস উল হুদা ফুটবল অ্যাকাডেমিতে নিবিড় অনুশীলন ক্যাম্পে প্র্যাকটিস ম্যাচ শেষে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান কোচ ডি ক্রুইফ। এসময় দলের সার্বিক প্রস্তুতি ও টেকনিক্যাল পরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেন তিনি।

কোচ জানান, প্রতিপক্ষের মান বিবেচনা করে ডিসিপ্লিন, ধারাবহিকতা ও দেশের প্রতি ভালোবাসাকে প্রাধান্য দিয়ে সুনির্দিষ্ট ‘গেম প্ল্যান’ প্রস্তুত করা হচ্ছে। কৌশলগত গোপনীয়তার কারণে বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশ না করলেও শিষ্যদের গুণগত মান নিয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

আরও পড়ুন:

তিনি বলেন, ‘বয়সভিত্তিক দলের আসল কাজ সিনিয়র দলের ভিত্তি তৈরি করা। সিনিয়র ফুটবল এবং ১৭ বা ১৫ বছর বয়সীদের ডেভেলপমেন্টাল ফুটবলের মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে। সিনিয়র পর্যায়ে সবসময় ফলাফলের চাপ থাকে এবং জিততেই হয়। কিন্তু বয়সভিত্তিক পর্যায়ে কোচদের মূল দায়িত্ব হলো তরুণ ফুটবলারদের সঠিকভাবে গড়ে তুলে সিনিয়র জাতীয় দলের জন্য তৈরি করা। এই ফুটবলাররাই বাংলাদেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ।’

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘তরুণ খেলোয়াড়দের ফুটবলের শ্রেণিকক্ষে শেখার মতো করে প্রতিদিন ধাপে ধাপে শেখাতে হয়। তাদের মধ্যে মনোযোগ ও একাগ্রতা বাড়াতে কোচদের অত্যন্ত সহনশীল ও ধৈর্যশীল হতে হবে।’

তার নিজের সন্তান রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এ বয়সে খেলোয়াড়দের কীভাবে আচরণবিধি ও ফুটবলীয় শৃঙ্খলা শেখাতে হয়, তা তিনি ভালোভাবে অনুধাবন করেন।’

বিগত ১০ থেকে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘দেশের ফুটবল পরিকাঠামো ও একাডেমি সুবিধার দারুণ অগ্রগতি হয়েছে। শামস উল হুদা অ্যাকাডেমিতে খেলোয়াড়দের থাকা-খাওয়া, পুষ্টি এবং অনুশীলনের ভালো পরিবেশ ফুটবলারদের দ্রুত বিকাশে বড় ভূমিকা রাখছে।’

এসএইচ