আজ (সোমবার, ২৭ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় পিবিআই।
পিবিআই উত্তরের কর্মকর্তা জানান, ভারতীয় এক নাগরিক সঙ্গে যোগসাজশে গড়ে উঠেছে এ প্রতারক চক্র। তারা ইউটিউবের মাধ্যমে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে মানুষের মনে প্রথমে আতঙ্ক তৈরি করে।
আরও পড়ুন:
পরে তাদের কাছ থেকে দফায় দফায় টাকা হাতিয়ে নেয়। রহমত আলী কবিরাজ নামের ১ ব্যক্তির মামলার প্রেক্ষিতে ছায়া তদন্ত শুরু করে পিবিআই।
পরে প্রযুক্তির সহায়তায় কুমিল্লা থেকে ওহিদ আলম এবং মাহে আলমকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। পরে তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী নোয়াখালী থেকে মো. হাসান আলী নামের আরেক তান্ত্রিককে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে গ্রেপ্তার হওয়া দুই অভিযুক্ত।




