তিনি পলাতক ওয়ার্ড কাউন্সিলর রাজিবের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও বডিগার্ড ছিলেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের মিছিল সংগঠিত করা এবং মিছিলের নেতৃত্ব দেয়ার সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
পরবর্তী তদন্তে জানা যায় যে, সে জুলাই বিপ্লব চলাকালীন শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালনায় সরাসরি জড়িত ছিল, যার ভিডিওসহ প্রমাণ পাওয়া গেছে।
যদিও সে প্রথমে তার কাছে একটি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কথা স্বীকার করে, পরবর্তীতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে তা পাওয়া যায়নি।
৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা সকাল বেলায় জুলাই আন্দোলনের ছাত্রদের ওপর গুলি করা এক দুষ্কৃতিকারীর সন্ধান পাই। তারপর একটি অভিযান পরিচালনা করে সুমন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই।’
তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে একটি ভিডিও ফুটেজে তাকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ দেখা গেলে উক্ত ব্যক্তি সে নিজে বলে স্বীকার করে। তাকে নিয়ে উক্ত অস্ত্র উদ্ধারে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালালেও তাৎক্ষণিকভাবে ওই অস্ত্রটি পাওয়া যায়নি। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে বিভিন্ন জায়গায় আরও অভিযান পরিচালনা করা হবে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’
