এ সময় তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু ও নিরাপদ অপারেশনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখা ও সমৃদ্ধ বন্দর উপহার দেয়া এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। শুধু স্থাপনা নয় বন্দরেরর প্রত্যেক শ্রমিক -কর্মচারী ও অংশীজন, সবার জানমাল, সম্পদ ও বন্দরের যন্ত্রপাতি সব কিছুকে একই ছাতার নিয়ে এসে নিরাপদ বন্দর নিশ্চিত করতে এ কার্যক্রম।’
আরও পড়ুন
সপ্তাহব্যাপী এ আয়োজনে বন্দরের মেরিন, মেকানিক্যাল, ট্রাফিকসসহ সব বিভাগের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অপারেশনের ঘাটতি পর্যালোচনা করে পদক্ষেপ নেয়া হবে। সেই সঙ্গে সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন ধরনের মহড়া ও অনুশীলন কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশ্বে নিরাপদ বন্দর হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দরের সুনাম বজায় রেখে উৎপাদনশীলতা আরও বাড়াতে নজর দেয়া হবে।
এ লক্ষ্যে যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মনুষ্য সৃষ্ট দুর্ঘটনায় প্রত্যেকটি বিভাগের কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে কীভাবে সংকট উত্তরণ করা যায় সেটি নিশ্চিত করা হবে বলে জানান বন্দরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে বন্দরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে বন্দর ভবন প্রাঙ্গণ থেকে র্যালি বের করা হয়।


 Andoni Iraola, Ryan Mason, and Xabi Alonso-320x167.webp)


