সিলগালা করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি পশ্চিম পাড়ার জিহাদ ফুড প্রোডাক্ট, পশ্চিম মিজমিজির কান্দাপাড়ার আল আমিন প্লাস্টিক এবং হিমালয়া ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি।
অভিযানে জিহাদ ফুড প্রোডাক্টে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়া সস উৎপাদন এবং পণ্যের লেবেলে অবৈধভাবে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। আল আমিন প্লাস্টিকে ভোজ্যতেল প্যাকেজিংয়ে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বোতল নির্ধারিত পরিমাপের চেয়ে কম ধারণক্ষমতায় উৎপাদন করতে দেখা যায়।
অন্যদিকে হিমালয়া ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিতে ফর্টিফাইড সয়াবিন তেলের বোতলে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম তেল পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন:
অভিযানে প্রতি ১ হাজার ৮০০ মিলিলিটারের বোতলে ৭০ মিলিলিটার, ২ লিটারের বোতলে ৪০০ মিলিলিটার এবং ১ লিটারের বোতলে ২৫ মিলিলিটার তেলের ঘাটতি শনাক্ত করা হয়।
এছাড়া পণ্য মোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ ছাড়া তেল মোড়কজাত ও বিক্রি এবং মোড়কে অবৈধভাবে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন ব্যবহারের অনিয়ম পাওয়া যায়।
অভিযান চলাকালে প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকপক্ষ বা কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে প্রতিষ্ঠান তিনটি সিলগালা করা হয়।
বিএসটিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাবেকুন নাহার মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআইয়ের ফিল্ড অফিসার (সিএম) মো. ইয়াছির আরাফাত ও পরিদর্শক (মেট্রোলজি) মো. হাফিজুর রহমান।
এসময় বিএসটিআই নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়পর উপপরিচালক (সিএম) কে এম হানিফ, সহকারী পরিচালক (মেট্রোলজি) মো. রাকিবুল আলম এবং সহকারী পরিচালক (সিএম) ইবাদত মানিক উপস্থিত ছিলেন।




