তিনি আরও মন্তব্য করে বলেন, ‘ফ্যাসিস্টদের নজর ছিলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করে লোক নিয়োগ দিয়ে তাদের কাছ থেকে ১০ লাখ, ১৫ লাখ টাকা ঘুষ নেয়া। তারা শিক্ষাকে একটি বাণিজ্যিক প্রক্রিয়ার মধ্যে নিয়ে গিয়েছিল।’
প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, ‘শিক্ষা একটি আদর্শিক পেশা। শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর। কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দলীয় বিবেচনায় শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে, যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়নি। শিক্ষকদের বিভিন্ন মতাদর্শে বিশ্বাস থাকতে পারে। তবে শিক্ষাঙ্গনে প্রবেশের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের গুরুত্ব দিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি চাকরিজীবীদের দলীয় পরিচয় বিবেচনা না করে কর্মকে বিবেচনা করতে বলেছেন। দেশপ্রেমকে বুকে ধারণ করে আমাদের পথ চলতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আপনাদের যে নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে, তা পালন করতে হবে দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেম থেকে।
সভায় বক্তারা শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত সমস্যা এবং শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার রক্ষার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
এর আগে, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী কালীবাড়িতে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
এ সময় তিনি নিজের অর্থায়নে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে শারদীয় দুর্গাপূজার উপহারসামগ্রী বিতরণ করেন। বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. তোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক শামীম আল মামুন ও মোহাম্মদ আকতার হোসেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিকসহ অনেকে।





