নৌ-পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ৮টার দিকে পদ্মা নদীতে মরদেহটি ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে তারা ফরিদপুর কোতয়ালী নৌ-পুলিশ ফাঁড়িকে জানায়। বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন নৌ-পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) তপন কুমার নন্দী।
তিনি বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি একজন নারীর এবং আনুমানিক বয়স ৩০ থেকে ৩৫ বছর হতে পারে। মরদেহটি পঁচে-গলে ফুলে গিয়েছে এবং তার পরিচয় শনাক্তে কাজ চলমান রয়েছে। পরিচয় না পেলে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে মরদেহটির দাফন সম্পন্ন করা হবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
আরও পড়ুন:
এর আগে চলতি বছরের ২২ আগস্ট সন্ধ্যায় পদ্মা নদীর জেলা সদরের আলিয়াবাদ ইউনিয়নের সাদিপুর এলাকা থেকে আরও এক অজ্ঞাত নারীর মরদেহটি উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ। গত ২৩ দিনে মরদেহটির পরিচয় মেলেনি বলে নৌ-পুলিশের ফরিদপুর কোতয়ালী ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘মরদেহগুলো পচনশীল হওয়ায় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পরিচয় শনাক্তে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ২২ আগস্টে উদ্ধারকৃত মরদেহটির ডিএনএ সংরক্ষণ করে রেখেছি। এরপর সেটি আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দাফন করা হয়েছে। এছাড়া আজ উদ্ধারকৃত মরদেহটির পরিচয় না মিললে একইভাবে দাফন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’




