আজ (শুক্রবার, ২৮ আগস্ট) বিকেল ৪টায় কক্সবাজারের হোটেল ওশান প্যারাডাইসের হলরুমে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল (বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট) রাত ৩টার দিকে কক্সবাজারের হোটেল ওশান প্যারাডাইসের পার্কিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি আটক করা হয়।
আরও পড়ুন:
আটক গাড়িগুলোর মধ্যে রয়েছে -ঢাকা মেট্রো-গ-৩০-১২২৪ নম্বরের টয়োটা এম ক্রপ, ২০২১ মডেলের লাল রঙের গাড়ি; ঢাকা মেট্রো-গ-১৮-৯৬৬৮ নম্বরের হোন্ডা ব্র্যান্ডের লাল রঙের গাড়ি এবং ঢাকা মেট্রো-গ-২৪-৭৩৯৯ নম্বরের মাজদা, ২০২০ মডেলের টুইন গ্রে রঙের গাড়ি। তিনটি গাড়ির উৎপাদনকারী দেশ জাপান।
কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, জিজ্ঞাসাবাদে গাড়িগুলোর ব্যবহারকারীরা আমদানি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দলিলাদি কিংবা গাড়ি ক্রয়ের বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুল্ক ফাঁকি, মিথ্যা ঘোষণা, জালিয়াতি কিংবা চোরাচালানের মাধ্যমে গাড়িগুলো দেশে আনা হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আটক তিনটি গাড়ির বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান ও আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।





