গ্রীষ্মের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নাটোরে আগাম শীতকালীন সবজি চাষ

সবজি খেত
সবজি খেত | ছবি: এখন টিভি
0

নাটোরে শুরু হয়েছে আগাম জাতের শীতকালীন সবজি রোপণ। বৃষ্টিতে গ্রীষ্মকালীন সবজি খেত নষ্ট হওয়ায় ঘুরে দাঁড়াতে শীতকালীন সবজি চাষ শুরু করেছেন চাষিরা। তবে সার সংকটে ব্যাহত হচ্ছে সবজি রোপণ। বেশি দামে সার কেনায় বাড়ছে উৎপাদন খরচ।

কেউ জমিতে বেড তৈরিতে ব্যস্ত, কেউ ব্যস্ত আগাছা পরিষ্কারে। কৃষকদের এমন তোড়জোড় আগাম শীতকালীন সবজি চাষে। নাটোর সদর উপজেলার সবজি গ্রাম হিসেবে পরিচিত ফতেঙ্গাপাড়া, দত্তপাড়া, হরিশপুরসহ অন্তত ৮টি গ্রামজুড়ে নানা জাতের শীতকালীন সবজি রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা।

বৃষ্টিতে সবজি খেত নষ্ট হওয়ার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবার পুরোদমে শুরু করেছে শীতকালীন সবজি চাষ। কৃষকরা জানান, বৃষ্টির কারণে অনেক ক্ষতি হইছে। কিছু গাছ মারা গেছে তাদের।

আরও পড়ুন

তবে সার সংকটে সবজি চাষ ব্যাহত হচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, ডিলার পয়েন্টগুলোতে গিয়ে মিলছে না প্রয়োজনীয় সার। ইউরিয়া সার কিছু পাওয়া গেলেও ডিএপি ও টিএসপি সার একেবারেই মিলছে না। খুচরা বাজারে সার মিললেও বাড়তি দামের কারণে বাড়ছে সবজি উৎপাদনের খরচ।

তবে সার সংকটের কথা অস্বীকার করে জেলা কৃষি বিভাগ বলছে, ডিলারদের মধ্যে পর্যাপ্ত সার বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। কৃষক পর্যায়ে সার কেন মিলছে না, তা খতিয়ে দেখার আশ্বাস কৃষি বিভাগের।

নাটোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হাবিবুল ইসলাম খান বলেন, ‘বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার কিন্তু সারটা আমরা একদম স্মুথলি ডিস্ট্রিবিউশনের জন্য বিভাজন করেছি এবং সেভাবে বরাদ্দ দিয়েছি। কিছুটা হলেও কিন্তু সত্য যে আসলে ডিলাররা কিন্তু আমাদের সঙ্গে খুব যে সহযোগিতা করছে তা না। কারণ খুচরা বিক্রেতারা যেহেতু বেশি দামে বেচে, বা আপনার বালাইনাশকের দোকানে কিন্তু সার বিক্রি করার কথা না। কিন্তু তাদের হাতে যদি দেয়া হয়, তাহলে তো দামের হেরফের হয়।’

এবছর নাটোরে প্রায় ৬ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম জাতের শীতকালীন সবজি চাষ হচ্ছে। সার ঘাটতি না হলে বর্ষায় সবজির ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন বলেই মনে করেন কৃষকরা।

জেআর