স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বড়দল ও খাজরা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধটি বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ফাটল দেখা দেওয়া অংশটি পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে তারা দেখতে পান, বাঁধের নিচের মাটি ধসে নদীগর্ভে চলে গেছে। ফলে বাঁধের ওপরের অংশও যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে।
ঝুঁকিপূর্ণ ওই বাঁধ ভেঙে গেলে বড়দল, দক্ষিণ বড়দল, পাঁচপোতা, বাইনতলা, খাজরা ও লাউতাড়াসহ দুই ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রামে নদীর লবণাক্ত পানি প্রবেশ করতে পারে। এতে বসতবাড়ি, ফসলি জমি, মৎস্যঘের এবং স্থানীয় অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, গত বছরও নদীর লোনা পানি প্রবেশ করায় এলাকার প্রায় ১০ হাজার বিঘা জমিতে আমন ধানের চাষ ব্যাহত হয়েছিল। এবার বাঁধটি ভেঙে গেলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও ভয়াবহ হতে পারে।
সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রাশিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভাঙন ও ফাটলের পরিস্থিতি দেখে দ্রুত বাঁধ সংস্কারের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুণ্ডু বলেন, ‘তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন। এরপর বাঁধটি দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
তবে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, কেবল আশ্বাস নয়, সম্ভাব্য বিপর্যয় এড়াতে জরুরি ভিত্তিতে বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কার করা প্রয়োজন। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে যেকোনো মুহূর্তে দুই ইউনিয়নের বহু গ্রাম নদীর পানিতে প্লাবিত হতে পারে।





