তিনি বলেন, ‘জুলাই শহীদ ও আহতদের সম্মান জানাতে সকলের উচিৎ গণভোটে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে কথা বলা। ন্যায়ের সমাজ এবং একটি ইনসাফের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্যই জুলাই সনদ, গণভোট। আপনার সন্তান, আপনার পরবর্তী বংশধরের জন্য হলেও গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে রায় দিন।’
তিনি বলেন, গণভোট নিয়ে চরম মাত্রায় গুজব ছড়াচ্ছে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারের দোসররা।
আরও পড়ুন:
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে প্রচারণা না চালাতে ইলেকশন কমিশনের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে মনির হায়দার বলেন, ‘একটা ভুল হয়েছে, রোববার হয়তো ঠিক হয়ে যাবে। এটি সংশোধন না হলে ডিসি, এসপিসহ প্রশাসনের যারা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন সবাইকে জেলে যেতে হবে।’
এতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রুকনোজ্জামান প্রমুখ। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।





