সার্বিক বিবেচনায় দেশসেরা কসমেটিকস উৎপাদক কোম্পানি এবং সেরা প্যাভিলিয়নের স্বীকৃতির ক্রেস্ট তুলে দেন প্রদর্শনীর আয়োজক স্কোয়াড মাইন্ড গ্লোবাল লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়সাল মুনিম। রিমার্কের পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করেন সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর মিজানুর রহমান ও হারল্যানের হেড অব মার্কেটিং হাবিবুল্লাহ হাবিবসহ রিমার্ক-হারল্যানের প্রতিনিধিরা।
ফয়সাল মুনিম বলেন, ‘কসমেটিকস শিল্পে রিমার্কের অবদান ঈর্ষণীয়। কসমেটিকায় আধুনিক উৎপাদন সক্ষমতার প্রদর্শন, ব্যতিক্রমী স্টল ডিজাইন ও পেশাদার উপস্থাপন তাদের বিশেষভাবে মুগ্ধ করেছে। রিমার্কের প্যাভিলিয়ন শুধু পণ্য প্রদর্শনেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং বাংলাদেশের কসমেটিকস শিল্পের সক্ষমতা ও সম্ভাবনাকেও দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরেছে।’
তিনি বলেন, ‘প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান, দর্শনার্থী, ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাসহ সবার কাছ থেকে পাওয়া ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রিমার্ককে এ বিশেষ স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।’
এ স্বীকৃতিকে বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন রিমার্কের পরিচালক (ফার্মা) সুকান্ত দাশ। তিনি বলেন, ‘আজকের এ অর্জন শুধু রিমার্কের নয়, দেশের কসমেটিকস উৎপাদন সক্ষমতারও স্বীকৃতি। ১৬ দেশের ৫৮টি কোম্পানির মধ্যে রিমার্কের সেরা হওয়া অবশ্যই দেশীয় উৎপাদকদের আরও উৎসাহিত করবে। নকল-ভেজালের ভিড়ে ভোক্তাদের জন্য অথেনটিক পণ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে কাজ করছে রিমার্ক। আজকের এ অর্জন আমাদের ওপর আরও বেশি দায়িত্ব তুলে দিয়েছে।’
রিমার্কের সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা উৎফুল্ল, আনন্দিত। প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েই এমন স্বীকৃতি আমাদের অনুপ্রেরণা বাড়িয়ে দিয়েছে। আশা করি, আগামীতে আমরা আরও জোরালোভাবে মানুষের সামনে রিমার্কের নিত্যনতুন প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও পণ্য নিয়ে আসতে পারব। পাশাপাশি কসমেটিকস খাতে বাংলাদেশের ঈর্ষণীয় অবস্থানও তুলে ধরতে পারব।’
হারল্যানের হেড অব মার্কেটিং হাবিবুল্লাহ হাবিব বলেন, ‘রিমার্ক তার পণ্য শুধু দেশের বাজারের জন্য নয়, সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিচ্ছে। নতুন এই অর্জন আমাদের আগামীর পথচলাকে আরও মসৃণ করে তুলবে।’
রিমার্কের এ অর্জনে শুভেচ্ছা জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অব স্কিন কেয়ার অ্যান্ড বিউটি প্রোডাক্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অব বাংলাদেশ (এএসবিএমইবি)। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশের কসমেটিকস খাতে রিমার্কের অবদান অফুরন্ত। দেশে আন্তর্জাতিক মানের কসমেটিকস ও পার্সোনাল কেয়ার পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা বেড়েছে। আমরা আশা করছি, রিমার্কের দেখানো পথে বাংলাদেশ কসমেটিকস খাতে আমদানিনির্ভর দেশ থেকে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হতে পারবে।’
তিন দিনের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীজুড়ে রিমার্কের প্যাভিলিয়নে বাংলাদেশে উৎপাদিত বিভিন্ন কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার পণ্যের পাশাপাশি বিশ্বমানের প্যাকেজিং, প্রিন্টিং ও ইনগ্রেডিয়েন্টস সক্ষমতা তুলে ধরা হয়।
শেষ দিনে নতুন উদ্যোক্তাদের মধ্যেও রিমার্কের প্যাকেজিং ও প্রিন্টিং সক্ষমতা নিয়ে আগ্রহ দেখা যায়। তাঁরা নিজেদের ব্র্যান্ডের জন্য বিভিন্ন প্যাকেজিং আইটেমের অর্ডারসহ নানা বিষয়ে তথ্য নেন।
রিমার্কের হেড অব প্যাকেজিং মো. আলী রেজা জানান, প্রদর্শনী চলাকালে প্রতিষ্ঠানটি প্রিন্টিং, প্যাকেজিং ও করপোরেট সেলস খাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বাণিজ্যিক অর্ডার নিশ্চিত করেছে। বিশেষ করে নতুন উদ্যোক্তাদের মধ্যে রিমার্কের বিশ্বমানের প্যাকেজিং, প্রিন্টিং ও ইনগ্রেডিয়েন্ট নিয়ে বিশেষ আগ্রহ ছিল।
তিনি বলেন, ‘দেশিয় উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি বিদেশি বায়ার ও কোম্পানিগুলোও রিমার্কের উৎপাদিত পণ্য ও সক্ষমতা নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে। প্রদর্শনীতে বিভিন্ন দেশের কোম্পানি ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে নতুন ব্যবসায়িক সহযোগিতা ও বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।’





