ঠাকুরগাঁও এর প্রসিদ্ধ রাজনৈতিক মির্জা পরিবারের মুকুটে যুক্ত হলো আরো একটি পালক। ঠাঁকুরগাওয়ে বিএনপির স্থানীয় রাজনীতির শীর্ষ নেতা থেকে উপ- নির্বাচনে সংসদে গণমানুষের প্রতিনিধিত্ব করার ম্যান্ডেট পেলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগিরের ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমীন।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির দেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তি হিসেবে বঙ্গভবনের বাসিন্দা হবার পর, ঠাকুরগাঁও -১ এ সৃষ্ট শূন্য আসনের উপনির্বাচনে, সংসদের বিরোধী দল জামায়াত দেলাওয়ার হোসেনকে হারিয়ে বিজয়ের হাসি হাসলেন মির্জা ফয়সাল। ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৩১ হাজার ৩৩৬। জয়ী হয়ে জানালেন, জেলার কর্মসংস্থান বাড়ানোসহ কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানই হবে তার মূল লক্ষ্য।
ঠাকুরগাঁও -০১ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফুসল আমীন বলেন, ‘কৃষকদের সমস্যা আছে। তাদের নিয়ে আমরা কাজ করবো। আর চলমান আছে বা প্রাক্তন এমপি যে কাজ শুরু করেছিলেন তা চালিয়ে নিয়ে যাবো।’
এদিকে, নির্বাচনে কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে ফলাফল প্রত্যাখ্যান না করলেও শুক্রবার ঠাকুরগাঁওয়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে জামায়াত।
ঠাকুরগাঁও -০১ জামায়াত মনোনীত প্রার্থী দেলওয়ার হোসেন বলেন, ‘আগামীকাল এর প্রতিবাদে আমরা বিক্ষোভ সমাবেশ ডেকেছি। আমদের ওপর হামলা, জাল ভোট, অনিয়ম দুর্নীতি এর বিরুদ্ধে আমরা বিক্ষোভের ডাক দিয়েছি।’
উপ-নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে মির্জা ফুসল পেয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৮৯ ভোট। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে জামায়াত নেতা দেলওয়ার হোসেন ভোট পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৪৫৩ ভোট। ফলাফল ঘোষণার আগে থেকেই জয়ের মুকুট নিজ ঘরে রাখতে পেরে রাতেই দলীয় কার্যালয়ে জড়ো হতে থাকেন বিএনপির স্থানীয় নেতা কর্মীরা।
এর আগে সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ শেষ হয় বিকেল ৪টায়। পাঁচ লাখের বেশি ভোটার দিনভর ভোট দেন ১৮৫ কেন্দ্রে। চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হয় রাত ১০ টার কিছু আগে।
এর আগে ২০২৬ এর ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি এই আসনে, জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেনকে পরাজিত করেছিলেন ৯৭ হাজার ৮'শ ভোটের ব্যবধানে। এবার রাষ্ট্রপতির ছোট ভাই জয়ের ব্যবধান বাড়ালেও গণমানুষের জন্য কতটা সংসদে কতটা সক্রিয় হতে পারেন সেটি দেখার অপেক্ষায় ঠাকুরগাঁও এর লাখো মানুষ।





