আজ (শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর) সকালে নগরীর সাহেববাজার মাস্টারপাড়া কাঁচাবাজারে দেখা যায়, বাজারে শীতকালীন সবজি উঠলেও সরবরাহ ও চাহিদার ওপর নির্ভর করে দামে রয়েছে পার্থক্য।
বাজারে আলু প্রতিকেজি ২০ থেকে ২৫ টাকা, সাদা বেগুন ৫০, ঢেঁড়স ৩০, পটল ৩০, ফুলকপি ৭০ থেকো ৮০, শসা ৭০, মুলা ৩০ এবং পেঁপে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া করলা ৮০ টাকা, শিম ১৪০, কাঁচা মরিচ ৪০, বরবটি ৪০ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে মাছের বাজারে চড়া দাম অব্যাহত রয়েছে। প্রতি কেজি রুই ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা, কাতলা ৩০০ থেকে ৩৫০, তেলাপিয়া ১৭০ থেকে ২০০, পাঙাশ ১৭০ থেকে ২০০, চাষের কৈ ২০০ থেকে ২২০ এবং চাষের শিং ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া টেংরা ৫৫০ থেকে ৬৫০, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০, চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৯০০ এবং কোরাল ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ ধীরে ধীরে বাড়ছে। তবে মৌসুমের শুরু হওয়ায় অনেক সবজির উৎপাদন ও সরবরাহ এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। এ কারণে কিছু সবজির দাম বেশি। সরবরাহ আরও বাড়লে এসব সবজির দাম কমে আসতে পারে।
তবে বাজারে আসা ক্রেতারা জানান, শীতকালীন সবজি বাজারে উঠতে শুরু করায় বৈচিত্র্য বাড়লেও অনেক সবজির দাম এখনো সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। ফলে পরিবারের চাহিদার তুলনায় কম পরিমাণ সবজি কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।





