ইন্দোনেশিয়ায় ফিফা আসিয়ান কাপে ব্যর্থতার পর এবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে জয়ে ধারায় ফেরার মিশনে বাংলাদেশ ফুটবল দল। তাই একদিনও সময় নষ্ট করতে চান না বাংলাদেশ কোচ। ঘরের মাঠে ২৩ বছর পর সাফ ট্রফি পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনায় এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছেন কোচিং স্টাফরা।
আসিয়ান কাপে হওয়া ভুলগুলো শুধরে সাফের জন্য শক্তিশালী দল গড়ার লক্ষ্য থমাস ডুলির। তবে দক্ষিণ এশিয়ার এই টুর্নামেন্টের আগে মানহীন ঘরোয়া লিগে খেলা ফুটবলারদের ফিটনেস নিয়ে চিন্তিত তিনি। তার মতে- এ ধরনের লিগে খেলা ফুটবলারদের দিয়ে কখনই বড় টুর্নামেন্টে সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়।
ডুলি বলেন, ‘আমাদের যে মানের ঘরোয়া লিগ, সেখান থেকে এমন খেলোয়াড় পাওয়া কঠিন যারা আমাদের বিশ্বকাপে নিয়ে যেতে পারবে। তাই আমাদের বিভিন্ন জায়গা থেকে হামজা চৌধুরীর মতো খেলোয়াড় খুঁজে বের করতে হবে। এমন খেলোয়াড় পেলে অবশ্যই তাদের স্বাগত জানাবো।’
২৪ অক্টোবর বিএফএলের পঞ্চম রাউন্ডের খেলা শেষে শুরু হবে সাফের মূল ক্যাম্প। আপাতত এমন পরিকল্পনাতেই এগোচ্ছে কোচ থমাস ডুলি।
আরও পড়ুন:
এরই মধ্যে প্রবাসী খেলোয়াড়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে জানান ডুলি। কোচের কড়া বার্তা— মাঠে জাতীয় দলে টিকে থাকতে হলে ম্যাচের পুরো সময় দৌড়ানোর মতো শারীরিক সক্ষমতা থাকতেই হবে। প্রয়োজনে খেলোয়াড়দের অবসর সময়েও বিশেষ অনুশীলনের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
কোচ ডুলি বলেন, ‘একটা ম্যাচে ১০ থেকে ১১ হাজার মিটার দৌড়াতে হয় একজন খেলোয়াড়কে, সেটা কিন্তু অনেক। খেলায় যদি ঘাটতি থাকে, তবে সেটা অনুশীলনের মধ্যে পুষিয়ে নিতে হবে।’
তবে সাফের আগে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা নাম্বার নাইন। আসিয়ান কাপে তিন ম্যাচে মাত্র দুই গোল করা— সেই ক্ষতটা আরও স্পষ্ট করেছে। এই সংকট কাটাতে ট্রেভর ইসলাম, সুলিভান ব্রাদার্সের মতো তরুণ প্রতিভাদের দিকে চোখ কোচের। তবে তাদের পাওয়া নিয়ে আছে নানা জটিলতা।
হেডকোচ বলেন, ‘সাফের জন্য রোনান সুলিভান এবং ট্রেভর ইসলামকে পেতে আমি তাদের সঙ্গে কথা বলছি। তবে তাদের কলেজ থাকার সে সময় তাদের দলে পাওয়াটা কঠিন হবে বলে মনে হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাবো।’
এদিকে, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সাদ এবং সোহেলের নাইটক্লাবের ছবিসহ ফারহান আলি ওয়াহিদের বাবার সঙ্গে কোচের বিরোধ ছড়ানোর বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাতে চান না কোচ। বরং সব মনোযোগ ফুটবলে দিকে দেয়ার কথা জানালেন হেডকোচ।




