আজ (বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। ইসি জানান, এ শূন্য আসনের উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। একটি আসনের বিপরীতে একাধিক প্রার্থী থাকলে তখন ভোট হবে; একক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন।
নির্বাচন কমিশনার রহমানেল বলেন, ‘যে দল বা জোটের জন্য আসনটি বরাদ্দ, সেই দল বা জোটই শূন্য আসনটি পাবে। আসনটি যার কোটায়, শূন্য হওয়ার পরও সেই দল বা জোটই আসনটি পাবে।’
আরও পড়ুন:
ইসি জানান, শূন্য আসনটি বিএনপি জোটেরই থাকছে। তফসিলের পর বিএনপি যাকে মনোনয়ন দেবেন, তিনিই নতুন এমপি হতে যাচ্ছেন।
এ সংসদে বিএনপি ও তার মিত্রদের ৩৬টি, জামায়াতের জোট থেকে ১৩টি ও স্বতন্ত্র জোট থেকে একটি আসন পেয়েছে। সংরক্ষিত নারী আসন নির্বাচন আইনের ১৬ ধারার অনুযায়ী সংরক্ষিত নারী আসনের কোনো আসন শূন্য হলে ওই আসন যে রাজনৈতিক দল বা জোটের অনুকূলে বণ্টিত, সেই দল বা জোটের মনোনীত প্রার্থীদের মধ্য থেকেই আসনটি পূরণ করা হবে।




