আহতরা হলেন—রফিকুল ইসলাম (৭০), আক্তার হোসেন (৮০) ও আবুল খায়ের (৪৫)। তাদের মধ্যে আবুল খায়ের গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের পৃথক রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়া অংশের আশপাশে থাকা রোগী ও স্বজনদের সরিয়ে নেয়া হয়। এ ঘটনায় হাসপাতালের রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ওই ওয়ার্ডের অনেক রোগী হাসপাতাল ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে। এর আগে হাসপাতালের তৃতীয় তলায় শিশু ওয়ার্ডে একই ভাবে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে এক শিশু আহত হয়।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা এ কে এম মাহবুবুর রহমান জানান, হাসপাতালের ধারণক্ষমতা ২৫০ শয্যা হলেও বর্তমানে সেখানে প্রায় ৬০০ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে, যা পুরো অবকাঠামোর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। এ বিষয়ে নতুন ভবনের নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আগেই আবেদন করা হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে মেরামতের কাজ করা হচ্ছে।





