গত রোববার ভোরে ইংল্যান্ডের পশ্চিমাঞ্চলের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটির কাছে ওই পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের পর যুক্তরাজ্য পুলিশ এলাকাটিতে বিশেষ নিরাপত্তা পরিস্থিতি ঘোষণা করে। সোমবার তাদের জামিনে মুক্তি দেয়া হলেও পুলিশ জানায়, তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের হয়ে তারা কাজ করছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের এক অনুষ্ঠানে মার্কো রুবিও বলেন, ‘সপ্তাহান্তে যুক্তরাজ্যে যা ঘটেছে, যা প্রায় ঘটতে যাচ্ছিল এবং যা ঘটতে পারত—তা খুবই গুরুতর একটি পরিস্থিতি। এতে স্পষ্টতই একটি বিদেশি শক্তির হাত রয়েছে।’ তবে তিনি নিজের দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ বা সুনির্দিষ্ট তথ্য দেননি।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে ইরানের সংযোগ থাকতে পারে। সন্দেহভাজনদের জামিনে মুক্তি দেয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমি হলে এমনটা করতাম না।’
গ্রেপ্তার পাঁচজনই লন্ডনের বাসিন্দা এবং বিশের কোঠার বয়সের ব্রিটিশ নাগরিক। ঘাঁটির কাছে তিনটি বড় সাদা ভ্যান দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে স্থানীয় এক বাসিন্দা পুলিশে খবর দিলে তাদের আটক করা হয়। তবে প্রাথমিক তদন্তে তাদের ব্যবহৃত ভ্যানগুলোতে কার্যকর কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি বলে রয়টার্সকে জানিয়েছে একটি সূত্র।
একই সঙ্গে ওই সূত্রটি জানায়, রোববার পুলিশের এই অভিযান কোনো সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হয়নি। অর্থাৎ ওই পাঁচজন সরাসরি নজরদারিতে ছিলেন না। তবে ঘাঁটিটির নিরাপত্তা আগে থেকেই জোরদার করা হয়েছিল, যা ইঙ্গিত দেয় যে এটি লক্ষ্যবস্তু হতে পারে—এমন আগাম তথ্য কর্তৃপক্ষের কাছে ছিল।
এদিকে সোমবার যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটির ঘটনায় নিজেদের যেকোনো ধরনের সম্পৃক্ততার কথা কড়া ভাষায় অস্বীকার করেছে ইরান।





