প্রদেয় অডিও ফাইলটি থেকে অনুলিখিত হুবহু টেক্সট নিচে প্রদান করা হলো:মালয়েশিয়া ম্যাচের কঙ্কালসার পারফরম্যান্সের পর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা ছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। মাঠের লড়াইয়ে আধিপত্য বিস্তার কিংবা এক ডজনের কাছাকাছি কর্নার আদায়, সবই ছিল ঠিকঠাক। কিন্তু ব্যর্থতার খাতায় যোগ হয়েছে সেই শেষ মুহূর্তের ফিনিশিং।
পুরো ম্যাচ ভালো খেললেও ১-০ গোলের এই পরাজয়কে সুযোগগুলো কাজে লাগাতে না পরাকেই দায়ী করছেন কোচ। এর মূল কারণ হিসেবে বলছেন দলের নিখুঁত কোনো স্ট্রাইকারের অনুপস্থিতি। আর এর দায় ঘরোয়া লিগের অবকাঠামোর ওপর চাপালেন থমাস ডুলি।
তিনি বলেন, ‘ঘরোয়া লিগ থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সেখানে প্রতি সপ্তাহে খেলোয়াড়রা ম্যাচ খেলে ভুল থেকে শেখার সুযোগ পায়। এই ঘাটতি আমাদের রয়েছে। মালয়েশিয়া বা ইন্দোনেশিয়ার মতো শক্তিশালী লিগ আমাদের নেই। জাতীয় দলের ক্ষেত্রে টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি নেয়ার জন্য খুব কম সময় পাওয়া যায়। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, আমাদের গোল করার মতো নিখুঁত কোনো স্ট্রাইকার নেই। যে সুযোগগুলো গোলে পরিণত করবে।’
আরও পড়ুন:
প্রশ্ন উঠেছে থমাস ডুলির পরিকল্পনা নিয়েও। গুঞ্জন ওঠে, অনুশীলনে নাকি সেট পিস নিয়ে আলাদা কাজই করেননি কোচ। ১১টি কর্নার পেয়েও গোল না পাওয়ায় খেলোয়াড়দের মাঠের পারফরম্যান্সেও মিললো সেই একই ইঙ্গিত। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই প্রসঙ্গ উঠতেই কড়া জবাবও দিলেন এই কোচ।
থমাস ডুলি বলেন, ‘না, আমরা সেট পিস অনুশীলন করেছি। তবে এখানে আসার পরে নয়, বাংলাদেশে ক্যাম্প করার সময় করেছি। বৃষ্টির কারণে মাঠের অবস্থা খারাপ থাকায় আমাদের নির্ধারিত দুইটি সেশন আমরা করতে পারিনি। তবে কর্নার বা ফ্রি কি কীভাবে নিতে হয়, তা খেলোয়াড়দের জানা আছে। ফেসবুকে যা শোনেন, তার সবকিছু বিশ্বাস করবেন না।’
এই হারে আসরের ফলাফল হতাশাজনক হলেও আসল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হতে চায় না দল। র্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকা দলগুলোর বিপক্ষে খেলে নিজেদের ভুল শুধরে নেয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য। কোচ ও ফুটবলারদের দৃষ্টি এখন সাফ ফুটবলের আসরে। দীর্ঘ ২০ বছরের ট্রফি খরা কাটিয়ে আগামী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা পুনরুদ্ধারই এখন জাতীয় দলের মূল লক্ষ্য।





