নামের পাশে আছে ছয় শিরোপা। তবে কাউন্টি ক্রিকেটে গেল মৌসুমটা একেবারেই ভুলে যেতে চাইবে কেন্ট ক্রিকেট ক্লাব। সবার শেষ স্থানে থেকে ডিভিশন টু-তে অবনমন ছিল দলটির। তবে এই মৌসুমে কেন্টের প্রত্যাবর্তন হলো দারুণ। দাপট দেখিয়েই ডিভিশন ওয়ানে নিজেদের জায়গা পাকা করেছে কেন্ট। আর তাতে কৃতিত্বের কিছুটা পাবে বাংলাদেশ ক্রিকেটও।
সবশেষ গ্লস্টারশায়ারকে আট উইকেটে হারিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থেকে ডিভিশন টু’র মৌসুম শেষ করেছে কেন্ট। জয় পেলেই প্রমোশন নিশ্চিত, এমন ম্যাচে খালেদ চেনালেন নিজের সুইং দক্ষতা। মৌসুমের শেষ ম্যাচে টাইগার পেসারের অবদান পাঁচ উইকেটের। তাতেই ১৪ ম্যাচে ২১১ পয়েন্ট নিয়ে রানারআপ কেন্ট। এই বিভাগ থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বেন স্টোকসের দল ডারহাম।
আরও পড়ুন:
ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কারণে আসরের শেষ পর্যন্ত থাকা হয়নি হাসান মাহমুদের। তবে দেশের বিমান ধরার আগে চার ম্যাচে পেয়েছেন ২৬ উইকেট। নতুন কিংবা পুরাতন, বলের কন্ডিশন যেমনই হোক হাসান ছিলেন উজ্জ্বল। ২৫.৫০ গড়ে কেন্টকে একের পর এক ব্রেকথ্রু এনে দিয়েছেন লক্ষীপুরের এই পেসার। আর খালেদ শেষে যোগ দিয়ে পেয়েছেন তিন ম্যাচ। তাতে পেয়েছেন ১৬ উইকেট। দুই পেসার মিলে খেলেছেন সাত ম্যাচ। যার মধ্যে কেন্ট জয় পেয়েছে পাঁচ ম্যাচে। হার এক ম্যাচে।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের সবচেয়ে অভিজাত সংস্করণ কাউন্টিতে এবারই প্রথম এসেছেন হাসান মাহমুদ এবং খালেদ আহমেদ। ইংল্যান্ডের সবুজ পিচে সুইংনির্ভর দুই পেসারকেই মনে ধরেছিল কেন্টের। ক্যান্টারবুরিতে দুই টাইগারও দেখিয়েছেন নিজেদের ঝলক। যার শুরুটা ছিল হাসানের আর শেষটা করলেন খালেদ।





