শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইন লটারি আয়োজনের এই সিদ্ধান্ত খুব দ্রুতই চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে। এর মাধ্যমে প্রাইমারি স্তরের ভর্তিতে অনিয়ম ও অনির্দিষ্ট ফি আদায়ের অবসান ঘটবে।
আরও পড়ুন:
যেভাবে সম্পন্ন হবে কেন্দ্রীয় ডিজিটাল লটারি (Digital Lottery School Admission Process)
বেসরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী নির্বাচন পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি অনলাইনে পরিচালিত হবে:
- ১. অনলাইন আবেদন (Online School Admission Application): ‘ঢাকা মহানগরী ভর্তি কমিটি’ নির্ধারিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত নির্দিষ্ট তারিখ ও সময়সূচি মেনে নির্ধারিত সফটওয়্যার পোর্টালে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আবেদন করতে হবে।
- ২. কেন্দ্রীয় সমন্বয়: সারা দেশের প্রতিটি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১ম থেকে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী বাছাই অনলাইন লটারির (GSA Online School Lottery) মাধ্যমে সরাসরি পরিচালনা করবে 'ঢাকা মহানগরী ভর্তি কমিটি'।
- ৩. সফটওয়্যার সক্ষমতা যাচাই: লটারির কাজ শুরুর পূর্বে নির্বাচিত কারিগরি প্রতিষ্ঠানের তৈরি সফটওয়্যারটি সরকার স্বীকৃত অন্য একটি নিরপেক্ষ কারিগরি সংস্থা দ্বারা অডিট বা যাচাই করা হবে এবং এর প্রত্যয়নপত্র সংরক্ষণ করা হবে।
আরও পড়ুন:
মেধা ও অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ (Lottery Result & Waiting List Rules)
ডিজিটাল লটারি শেষে সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে দুটি তালিকা প্রকাশ করবে:
- মূল নির্বাচিত তালিকা (Selected Students List): লটারিতে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের নামের তালিকা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।
- অপেক্ষমাণ তালিকা (Waiting List): শূন্য আসনের সমপরিমাণ শিক্ষার্থীর সমন্বয়ে একটি ওয়েটিং লিস্ট প্রস্তুত করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচিত কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে বা আসন খালি থাকলে অপেক্ষমাণ তালিকার সিরিয়াল বা ক্রম বজায় রেখে পরবর্তী শিক্ষার্থীকে ভর্তি করতে হবে।
লটারি শেষে এই তালিকাগুলো সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে পাঠানো হবে। পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের নিজস্ব ভর্তি কমিটি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (জন্মসনদ, অভিভাবকের এনআইডি ইত্যাদি) যাচাই-বাছাইপূর্বক চূড়ান্ত ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
আরও পড়ুন:
ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা ও বিশেষ শিথিলতা (Catchment Area Quota & Special Rules)
ঢাকা মহানগরীর স্কুলগুলোতে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের প্রাধান্য দিতে বিশেষ ক্যাচমেন্ট এরিয়া নীতি অনুসরণ করা হবে:
- ৪০% সংরক্ষিত আসন: ঢাকা মহানগরীর বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী তিনটি প্রশাসনিক থানাকে 'ক্যাচমেন্ট এরিয়া' (Catchment Area) হিসেবে গণ্য করা হবে। এই এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
- নিজস্ব ব্যবস্থাপনার সুযোগ: যদি যৌক্তিক কোনো কারণে ১ম থেকে ৯ কোনো বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় অনলাইন ভর্তির সঙ্গে যুক্ত হতে না পারে, তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে তারা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতার সঙ্গে ভর্তি প্রক্রিয়া পরিচালনা করতে পারবে।
আরও পড়ুন:
একনজরে: বেসরকারি স্কুলের ১ম থেকে ৫ম শ্রেণির ডিজিটাল লটারি ভর্তি প্রক্রিয়া
মাউশি পরিচালিত কেন্দ্রীয় লটারি, আবেদন পদ্ধতি ও কোটা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
বিষয়বস্তু (Topic)
তথ্যাবলী (Details)
আবেদন ও পরিচালনা কর্তৃপক্ষ (Managing Authority)
মাউশি ও ঢাকা মহানগরী ভর্তি কমিটি
ভর্তির আওতাভুক্ত শ্রেণি (Covered Classes)
১ম থেকে ৫ম শ্রেণি (বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়)
আবেদনের মাধ্যম (Application Mode)
অনলাইন সফটওয়্যার পোর্টাল (gsa.teletalk.com.bd)
ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা (Catchment Area Quota)
ঢাকা মহানগরীর স্কুলে ৪০% আসন সংরক্ষিত
অপেক্ষমাণ তালিকা নীতি (Waiting List Policy)
আসন শূন্য সাপেক্ষে ক্রমানুসারে ভর্তি বাধ্যতামূলক
আরও পড়ুন:





