গতকাল (রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পাবনার হেমায়েতপুর সৎসঙ্গ আশ্রমে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকুল চন্দ্রের ১৩৯তম শুভ আবির্ভাব তিথি ও পদ্মায় পুণ্যস্নান মহাউৎসব অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনের প্রথম পর্বে কয়েক হাজার ভক্তানুরাগীদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি হাজারো বছরের পুরোনো। পতিত সরকার নোংরামি দিয়ে সে সংস্কৃতিকে নষ্টের চেষ্টা করেছে। বর্তমান সরকার ৫১টি দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সাংস্কৃতিক বন্ধন সৃষ্টি করেছে। পাবনা সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ একটি জেলা। পাবনাসহ দেশের সংস্কৃতিকে আরো কিভাবে সমৃদ্ধ করা যায়, সেটি তাদের সরকার দেখবে। তারা বৈচিত্র্যের এই দেশেও সংস্কৃতি দিয়ে ঐক্য স্থাপন করতে চাই।’
ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের বানী সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘সব ধর্মের ধর্মীয় গ্রন্থে যে সকল বাণী রয়েছে তা মানবকল্যাণের জন্য। ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র যেসব উপদেশ দিয়েছেন, সে সবও মানবকল্যাণের। উনি জাত পাতের ভেদাভেদে বিশ্বাস করতেন না। সারাজীবন মানবতার বন্দনা করেছেন। একারণে গোটা উপমহাদেশ ছাড়িয়ে পৃথিবীর সমস্ত জায়গায় ঠাকুরের বন্দনায় রয়েছে ভক্তরা।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম বলেন, ‘ঠাকুরের যে মহৎ আদর্শ ও মহানুভবতা, সেগুলো আজও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। ধর্ম, বর্ণ ও রাজনীতির নামে যে মত পার্থক্য সেটিকে ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র পার্থক্য করে দেখেননি। সবাইকে মানুষ হিসেবে মর্যাদা দিতে চেয়েছেন। তাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এ বিভেদ বা বিভাজন দেখতে চান না। সবার মাঝে ঐক্য দেখতে চান।’
সৎসঙ্গ কেন্দ্রীয় আশ্রমের সভাপতি শ্রী প্রাণশঙ্কর দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
এছাড়া এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, পাবনার জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাখাওয়াত হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব ও সদস্য সচিব মাসুদ খন্দকার প্রমুখ।





