আজ (শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিমানবন্দরের কাস্টমস হলের ১ নম্বর বেল্ট সংলগ্ন ওয়াশরুমে অভিযান চালিয়ে এসব পেস্ট উদ্ধার করা হয়।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওয়াশরুমের একটি হাই কমোডের ট্যাংকে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় পলিথিনে মোড়ানো আটটি ডিমসদৃশ প্যাকেট পাওয়া যায়। প্যাকেটগুলোর কোনো মালিক পাওয়া যায়নি।
পরে বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন গোয়েন্দা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্যাকেটগুলো উদ্ধার করে কাস্টমস হলের ইনভেন্টরি টেবিলে খোলা হয়। প্যাকেট খুলে প্রাথমিকভাবে ৪ দশমিক ২০৪ কেজি স্বর্ণসদৃশ পেস্ট পাওয়া যায়।
কাস্টমস গোয়েন্দা জানায়, উদ্ধার করা পেস্টে প্রকৃত স্বর্ণের পরিমাণ ও বিশুদ্ধতা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ জন্য নিবন্ধিত স্বর্ণকারের মাধ্যমে পেস্ট থেকে স্বর্ণ পৃথক করার কার্যক্রম চলছে। পৃথকীকরণ শেষে স্বর্ণের প্রকৃত ওজন ও বিশুদ্ধতা নির্ধারণ করা হবে।
প্রাথমিক হিসাবে উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা হতে পারে বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা।
মালিকবিহীন অবস্থায় বিমানবন্দরের ওয়াশরুমের কমোডের ট্যাংকের ভেতরে এত বিপুল পরিমাণ স্বর্ণসদৃশ পেস্ট কীভাবে এলো এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।





