গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জাহের আল-ওয়াহিদি জানান, ভবন ধসের ঘটনায় আরও অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধারের তৎপরতা শেষ করেছেন।
বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ জানায়, যুদ্ধে বাস্তুচ্যুত হওয়া অন্তত ছয়টি ফিলিস্তিনি পরিবার চরম ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও ওই ভবনে আশ্রয় নিয়েছিল। বিকল্প কোনো থাকার জায়গা না থাকায় নিরুপায় হয়ে তারা সেখানে বসবাস করছিল বলে জানান উদ্ধারকর্মীরা।
গাজায় যুদ্ধবিরতি আলোচনা স্থবির হয়ে থাকায় কোনো ধরনের পুনর্নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। ইসরাইল জানিয়েছে, হামাস নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত কোনো পুনর্গঠনসামগ্রী ঢুকতে দেয়া হবে না। ফলে ভারী খননযন্ত্র বা ক্রেনের অভাবে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকারপ্রধান উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, এ পর্যন্ত যেসব মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, তা প্রকৃত সংখ্যার ‘হিমশৈলের চূড়ামাত্র’। ইসরাইলি বোমাবর্ষণে গাজার অধিকাংশ এলাকা মাটির সঙ্গে মিশে গেছে।
নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, গাজা সিটির এক-পঞ্চমাংশের বেশি ভবন বসবাসের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হলেও ফিলিস্তিনিদের কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। ভূখণ্ডের মোট জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ তাঁবুতে এবং বাকিরা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চরম দুর্দশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।





