আজ (বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর) এক বক্তব্যে ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন বলেন, ‘১৩ বছরের কম বয়সীদের কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নয়। ১৫ বছরের কম বয়সীদের কোনো ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইউরোপের ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষমতা আছে। নিয়ম আমরাই ঠিক করবো, বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো নয়।’
কয়েকটি ইইউ ভুক্ত দেশের রাজনৈতিক চাপের মুখে বৃহস্পতিবার প্রস্তাবিত কিডস অ্যাক্ট-এর বিস্তারিত প্রকাশ করার কথা রয়েছে। ফ্রান্স ও গ্রিস দীর্ঘ দিন ধরে শিশুদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে কড়াকড়ি আরোপের জন্য ব্রাসেলসকে চাপ দিয়ে আসছিল।
জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশি এআই-কে বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ভন ডার লিয়েন। প্রস্তাবিত খসড়া অনুযায়ী, ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুরা কেবল অভিভাবকদের নজরদারিতে অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের সুযোগ পাবে। আর ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সীরা নির্দিষ্ট সময়ের বাধ্যবাধকতাসহ নিয়ন্ত্রিত অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবে। এ ছাড়া এআই চ্যাটবটগুলোকে এমন নকশা এড়াতে হবে, যা শিশুদের ক্ষতিকর মানসিক আসক্তির দিকে নিয়ে যায়।
প্ল্যাটফর্মগুলোকে বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাই করতে হবে। নিয়ম না মানলে তাদের বৈশ্বিক আয়ের ৬ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। তবে ব্রাসেলসের এই উদ্যোগের সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মার্কিন কোম্পানিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ তুলে জবাবে শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন।
—ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন অবলম্বনে





