ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের যোগ না দেয়া এবং আমন্ত্রণ পাওয়া নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তির জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে একটি দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। পরবর্তীতে বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে তাকে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনেও আমন্ত্রণ জানানো হয়। ফলে তিনি দুটি পৃথক আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন।’
এর আগে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, তারেক রহমানকে এককভাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ব্রিকসে দাওয়াত করা হয়নি, বরং বিমসটেক চেয়ারম্যান হিসেবে আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছিল। তাই প্রথম ভারত সফর হিসেবে কোনো বহুপক্ষীয় সম্মেলনে যাওয়ার চেয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় সফরকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে ঢাকা। উপযুক্ত সময়ে এই দ্বিপক্ষীয় সফর আয়োজনের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।
গত ফেব্রুয়ারিতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করে। সে সময় ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম প্রকাশ বিড়লা ঢাকায় এসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে সপরিবারে দেশটি সফরের একটি আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেছিলেন।
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান, তাকে ফেরত পাঠানোর দাবি এবং পানিবণ্টনসহ একাধিক ইস্যুতে ঢাকা ও নয়াদিল্লির সম্পর্কের নতুন সমীকরণের মধ্যে এই বক্তব্য সামনে এলো। উল্লেখ্য, গত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।





